ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৭-২৬
  • ২৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাট ডাউন ও দেশজুড়ে সংঘাতের কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে আম পাঠাতে না পারায় চাষীদের উৎপাদিত আম পঁচে নষ্ট হয়েছে বাগানেই। কেউ কেউ আম পাড়লেও বিক্রি করতে হয়েছে কম দামে। সব মিলিয়ে আন্দোলন-সংঘাত ও কারফিউয়ের ১০ দিনে জেলার চাষী ও ব্যবসায়ীদের ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরেন্দ্র কৃষি উদ্দ্যোগ এর সিইও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক মো. মুনজের আলম।
তিনি আরও জানান, আমের মধ্যম ও নাবী জাতের যখন ভরা মৌসুম, তখনই ছাত্র আন্দোলনের নামে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে সংঘাত। এতে জেলার বাইরে আম পাঠাতে পারেননি চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাষী ও ব্যবসায়ীরা। আম পেকে নষ্ট হয়েছে বাগানে। ক্ষতি এড়াতে চাষীরা গাছ থেকে আম পাড়লেও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হয়েছে কম দামে। ফলে লোকসানের শিকার হয়েছেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
তিনি বলেন, জেলা থেকে প্রতিদিন ৩ শতাধিক ট্রাকে সাড়ে ৩ হাজার মেট্রিক টন আম যায় দেশের অভ্যন্তরীন বাজারে। এই আমের মূল্য গড়ে ২৫ কোটি টাকা। আন্দোলনের ১০ দিনে ২৫০ কোটি টাকার আম বেচা-কেনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কিছু আম পঁচে নষ্ট হওয়ায় এবং কম দামে বিক্রি করায় এই অঙ্ক গিয়ে দাঁড়ায় ১৫০ কোটি টাকার ঘরে। কাজেই ওই ১০ দিনে চাষী ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ১০০ কোটি টাকা।
রিজিওনাল হর্টিকালচার রিসার্চ স্টেশন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোখলেসুর রহমান বলেন, এবছর দেরিতে মুকুলায়ন এবং বিরূপ প্রাকৃতিক অবস্থার কারণে আমের উৎপাদন কম হয়েছে।
গত কয়েকদিনের আন্দোলন ও কারফিউ এর কারণে আম পরিবহনে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় চাষী ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মধ্যে পড়লেও এবার আমের দাম বেশি থাকায় ক্ষতি কিছুটা হ্রাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, এখনো গাছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ আম রয়েছে। নাবি জাতের এই আমের মধ্যে রয়েছে ফজলি, আশ্বিনা, আম্রপালি, বারি-১১, কাটিমন, গৌড়মতি ইত্যাদি।
সূত্রমতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৩৭হাজার ৬০৪ হেক্টর জমিতে ৭৫ লাখ ৭৯ হাজার,৮২৫ টি আমগাছ রয়েছে এবং গতবছর জেলায় ৪ লাখ ৪৩হাজার ৬২৫ মেট্রিকটন আম উৎপাদন হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat