ব্রেকিং নিউজ :
ফেনীতে বন্দিদশা থেকে মুক্ত শতাধিক পাখি গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় টাঙ্গাইলে ৩১ দফা বাস্তবায়নে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ নাটোরে বর্ণিল পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত বেরোবি’র মাধ্যমে আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার পরিচালনায় চুক্তি স্বাক্ষর আলেম-ওলামাদের মেহনত ব্যর্থ হয়নি : ধর্ম উপদেষ্টা হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন খালেদা জিয়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ২২ হাজার ৭০০ প্রবাসীর নিবন্ধন ভূমিকম্পের ঘটনায় আতঙ্কিত নয়, সচেতন হবার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের- প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার কৃষিতে ব্যবহৃত কীটনাশক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে হুমকি তৈরি করছে: মৎস্য উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৪-০১
  • ৪৩৪৫৮৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জেলায় ব্যস্ত সময় পার করছে পোশাক তৈরির কারিগররা। সকাল থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে দর্জি পাড়ার কার্যক্রম। মেয়েদের থ্রি-পিস, লং ফ্রক, ছেলেদের পাঞ্জাবি, পায়জামা, শার্ট-প্যান্টসহ বিভিন্ন ডিজাইনের বাহারি নতুন পোশাক তৈরিতে মগ্ন তারা। ১৫ রোজার পর থেকে নতুন অর্ডার (ফরমায়েশ) নেয়া বন্ধ রয়েছে । ঈদ ঘনিয়ে আসায় যেন  নাওয়া খাওয়ারও সময় নেই কারিগরদের।
শহরের জিয়া সুপার মার্কেটের সিটি টেইলার্সের কারিগর মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, তাদের  এখানে মোট ১০ জন শ্রমিক কাজ করে। এখন আর নতুন পোশাকের অর্ডার নেওয়া হচ্ছে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পোশাক তৈরি করে দাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তাই রাত দিন তাদের কাজ চলে।
অপর কারিগর সাইফুল ইসলাম বলেন, পুরুষের  শার্ট-প্যান্ট বা পাঞ্জাবির চাইতে মেয়েদের থ্রি-পিসসহ অন্যান্য কাজ বেশি হয়। ঈদে নারীদের পোশাকের চাহিদা সব সময় বেশি থাকে। এছাড়া বাচ্চাদেরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষও আসেন পোশাক তৈরি  করতে।
এদিকে কাপড়ের দোকান থেকে পছন্দের কাপড় কিনে ক্রেতারা ছুটছেন বিভিন্ন দর্জির দোকানগুলোতে। তবে এদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সী নারী ক্রেতার সংখ্যা বেশি রয়েছে। পছন্দের পোশাক বানাতে মাপ দিচ্ছেন কেউ কেউ।
কারিগররা জানায়, জর্জেট থ্রি পিস তৈরিতে মূল্য রাখা হয় ৬’শ থেকে ৭’শ টাকা পিস। সুতির থ্রি-পিস ৩’শ ৫০ থেকে ৪’শ টাকা। জর্জেটের লেহেঙ্গা ১৫’শ টাকা থেকে ১৮’শ টাকা। সুতির লেহেঙ্গা ১ হাজার থেকে ১২’শ। লং ফ্রক ৩’শ ৫০ থেকে ৪’শ টাকা। এছাড়া ছেলেদের শার্ট ৪’শ টাকা। প্যান্ট ৫’শ ৫০ টাকা। মুজিব কোট ৩ হাজার টাকা। পাঞ্জাবি ৫’শ থেকে ৫’শ ৫০ পায়জামা ৩’শ থেকে ৪’শ টাকায় বানানো হয়।
চকবাজারের  কারিগর পরিমল ও বেল্লাল হোসেন বলেন, মূলত বছরের দুইটি ঈদই তাদের কাজের মৌসুম। তাই আসন্ন রোজার ঈদকে সামনে রেখে তাদের ব্যস্ততা বেড়েছে। বছরের অন্যান্য সময়ে কাজের চাপ না থাকলেও এ সময় প্রচুর চাপ থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat