ব্রেকিং নিউজ :
ফেনীতে বন্দিদশা থেকে মুক্ত শতাধিক পাখি গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় টাঙ্গাইলে ৩১ দফা বাস্তবায়নে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ নাটোরে বর্ণিল পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত বেরোবি’র মাধ্যমে আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার পরিচালনায় চুক্তি স্বাক্ষর আলেম-ওলামাদের মেহনত ব্যর্থ হয়নি : ধর্ম উপদেষ্টা হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন খালেদা জিয়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ২২ হাজার ৭০০ প্রবাসীর নিবন্ধন ভূমিকম্পের ঘটনায় আতঙ্কিত নয়, সচেতন হবার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের- প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার কৃষিতে ব্যবহৃত কীটনাশক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে হুমকি তৈরি করছে: মৎস্য উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৭-২৬
  • ১৭৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাট ডাউন ও দেশজুড়ে সংঘাতের কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে আম পাঠাতে না পারায় চাষীদের উৎপাদিত আম পঁচে নষ্ট হয়েছে বাগানেই। কেউ কেউ আম পাড়লেও বিক্রি করতে হয়েছে কম দামে। সব মিলিয়ে আন্দোলন-সংঘাত ও কারফিউয়ের ১০ দিনে জেলার চাষী ও ব্যবসায়ীদের ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরেন্দ্র কৃষি উদ্দ্যোগ এর সিইও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক মো. মুনজের আলম।
তিনি আরও জানান, আমের মধ্যম ও নাবী জাতের যখন ভরা মৌসুম, তখনই ছাত্র আন্দোলনের নামে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে সংঘাত। এতে জেলার বাইরে আম পাঠাতে পারেননি চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাষী ও ব্যবসায়ীরা। আম পেকে নষ্ট হয়েছে বাগানে। ক্ষতি এড়াতে চাষীরা গাছ থেকে আম পাড়লেও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হয়েছে কম দামে। ফলে লোকসানের শিকার হয়েছেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
তিনি বলেন, জেলা থেকে প্রতিদিন ৩ শতাধিক ট্রাকে সাড়ে ৩ হাজার মেট্রিক টন আম যায় দেশের অভ্যন্তরীন বাজারে। এই আমের মূল্য গড়ে ২৫ কোটি টাকা। আন্দোলনের ১০ দিনে ২৫০ কোটি টাকার আম বেচা-কেনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কিছু আম পঁচে নষ্ট হওয়ায় এবং কম দামে বিক্রি করায় এই অঙ্ক গিয়ে দাঁড়ায় ১৫০ কোটি টাকার ঘরে। কাজেই ওই ১০ দিনে চাষী ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ১০০ কোটি টাকা।
রিজিওনাল হর্টিকালচার রিসার্চ স্টেশন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোখলেসুর রহমান বলেন, এবছর দেরিতে মুকুলায়ন এবং বিরূপ প্রাকৃতিক অবস্থার কারণে আমের উৎপাদন কম হয়েছে।
গত কয়েকদিনের আন্দোলন ও কারফিউ এর কারণে আম পরিবহনে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় চাষী ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মধ্যে পড়লেও এবার আমের দাম বেশি থাকায় ক্ষতি কিছুটা হ্রাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, এখনো গাছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ আম রয়েছে। নাবি জাতের এই আমের মধ্যে রয়েছে ফজলি, আশ্বিনা, আম্রপালি, বারি-১১, কাটিমন, গৌড়মতি ইত্যাদি।
সূত্রমতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৩৭হাজার ৬০৪ হেক্টর জমিতে ৭৫ লাখ ৭৯ হাজার,৮২৫ টি আমগাছ রয়েছে এবং গতবছর জেলায় ৪ লাখ ৪৩হাজার ৬২৫ মেট্রিকটন আম উৎপাদন হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat