ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-২২
  • ৭১২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

নীলফামারী জেলায় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় অতি দরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে (ইজিপিপি) প্রথম পর্যায়ে কাজের সুযোগ পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫৫১ জন।
এসব সুফলভোগি গ্রামীণ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে মাটি কাটার কাজ করবেন ৪০ কর্মদিবস। এজন্য প্রতিদিন ৪০০ টাকা হারে প্রত্যেকে মজুরী পাবেন ১৬ হাজার টাকা করে।
জেলার ছয় উপজেলায় ওই ১৩ হাজার ৫৫১ জনের মধ্যে নীলফামারী সদর উপজেলায় রয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৫ জন, ডোমারে ২ হাজার ১০২, ডিমলায় ২ হাজার ৪৯৯ জন, জলঢাকায় ২ হাজার ৬৪৫ জন, কিশোরগঞ্জে ১ হাজার ৭২৩ জন ও সৈয়দপুর উপজেলায় ১ হাজার ২১৭ জন।
জেলা সদরের রামনগর ইউনিয়নের বাহালীপাড়া গ্রামের আবুবক্কর ছিদ্দিক (৪৫) অসুস্থতাজনিত কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়েছিলেন পাঁচ বছর আগে। তার সংসার চলছির অনেক কষ্টে। সেই সিদ্দিকের স্ত্রী রোজিনা বেগমের (৪০) কাজের সুযোগ হয়েছে অতি দরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে (ইজিপিপি)। এমন সুযোগ পেয়ে তিনি বলেন,‘বহুদিন থাকি ভালমন্দ খাওয়াতো দূরের কথা ওষুধ কিনিবার টাকা হাতোত নাই। সরকারের দয়াত হামার মতন মানষির উপকার হছে।’
ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে সরকারের ওই কর্মসূচিতে সিদ্দিকের ন্যায় ২০৫ অতিদরিদ্র পরিবার উপকৃত হয়েছে। ৪০ দিন কাজের পর প্রতিটি পরিবার ১৬ হাজার করে অর্থের যোগান পাবে। এসব পরিবারে অনেকটাই অর্থকষ্ট দূর হবে।’
নীলফামারী সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, ২০০৮ সাল থেকে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় কর্মসূচিটি চালু রয়েছে। এমন কর্মসূচিতে গ্রামীণ রাস্তাঘাটের যেমন উন্নয়ন হচ্ছে, তেমনি অতিদরিদ্র পরিবারগুলোর আর্থিক কষ্ট দূর হচ্ছে।
তিনি বলে, ‘২০২১-২০২২ অর্থবছরে কর্মসূচিটির প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে। প্রতি সপ্তাহে কাজ হবে পাঁচদিন করে। শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত কাজ করে বৃহস্পতিবার মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্য মজুরী প্রদান করা হচ্ছে। এভাবে প্রতিজন ৪০ কর্মদিবস কাজ করে পাবেন ১৬ হাজার টাকা করে।’
জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রমিজ আলম বলেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছেন। এজন্য জেলার অতিদরিদ্র এবং মৌসুমী বেকার শ্রমিকদের জন্য ইজিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ত্রাণ ও পূনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের সহযোগীতায় এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, ওই প্রকল্পে সরকারের খরচ হবে ২১ কোটি ৬৮ লাখ ১৬ হাজার টাকা। এছাড়াও প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন অবকাঠামো মেরামত ও সংস্কার (নন ওয়েজ) কাজের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৯৯ লাখ ৫৪ হাজার ১২০ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat