ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৪-০৬
  • ৪৯৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মার্কিন আইন প্রণেতা সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা চুক শুমার ও রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য স্টিভ চ্যাবোটের সঙ্গে তার কথোপকথনের একদিন পর গত রাতে তিনি ব্রিফিংকালে গণমাধ্যমকে বলেন, “আমাদের সমুদ্র অর্থনীতিতে যোগ দিন, সেখানে (বঙ্গোপসাগর) কার্যক্রম করুন। . . এবং পরে আপনারা সেখান (বঙ্গোপসাগর) থেকে ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।”
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র অবাধ, উন্মুক্ত, সংযুক্ত, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও সহনশীল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে।
তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণেতা ও প্রশাসনের কর্মমকর্তাদের মধ্যে উষ্ণ মনোভাব প্রত্যক্ষ করেছি।
মোমেন আরো বলেন, তার সফরের ফলাফলে তিনি খুবই খুশী। তিনি এ সফরকে ফলপ্রসূ বলে অভিহিত করেছেন। কারণ, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ ও ইতিবাচক তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছেন।
মন্ত্রী এর আগে গত ৪ এপ্রিল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনী ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেছেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস এর আগে বলেছিলেন যে, আমেরিকা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ ও অন্যান্য অংশীদারের সাথে কাজ করতে চায় যাতে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে এই অঞ্চলের সাগর ও আকাশ পরিচালনা ও ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনে যোগ দিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন।
মার্কিন আইন প্রণেতাদের সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দন্ডপ্রাপ্ত খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানান, যে এখন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং নবগঠিত নির্বাচন কমিশন সম্পর্কেও অবহিত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে বিশেষ করে ফার্মাসিউটিক্যালস খাতে আরও বেশি মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান জানান যাতে যুক্তরাষ্ট্র আরও সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ সরবরাহ করতে পারে।
ড. মোমেন বলেন, “আমি তাদের (আইন প্রণেতাদের) বলেছি, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আরও সম্পৃক্ত হওয়ার এখন সময় এসেছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat