ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-১০
  • ১০৬১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিনিধি:- সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও সংস্কারের পক্ষেই বলছেন। এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, ‘কোটা সংস্কারের বিষয়টি আমার মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়। তারপরেও আমি প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছি এটিকে সংস্কার করার জন্যে। বাজেটের পর ৫৬ শতাংশর কোটা অবশ্যই সংস্কার করা হবে। কারণ কোটায় প্রার্থী পাওয়া যায় না।’ মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) বার্ষিক মুনাফার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে পাঁচ ধরনের কোটা রয়েছে। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ কোটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য সংরক্ষিত। এর বাইরে নারী ও জেলা কোটা ১০ শতাংশ করে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য পাঁচ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য এক শতাংশ কোটা রয়েছে। গত কয়েকটি রাজনৈতিক সরকারের আমলের শেষ বছরে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন হয়েছে। তবে চলতি বছর আন্দোলনকারীরা কোনো বিশেষ কোটার কথা উল্লেখ না করে কোটা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিতে আন্দোলন করছে। যদিও সামাজিক মাধ্যম এবং মাঠ পর্যায়ে নানা কর্মসূচিতে আন্দোলনকারী এবং তাদের সমর্থকরা কেবল মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়টি তুলে ধরছে। এর মধ্যে গত মার্চে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত জানায়, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে নিয়োগ হবে সাধারণ মেধা তালিকা থেকে। আর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর গত তিনটি বিসিএসে ৬৭ থেকে ৭৭ শতাংশ নিয়োগ সাধারণ মেধা তালিকা থেকে হয়েছে। তবে কোটায় এই পরিমাণ প্রার্থী পাওয়া যায় না। আর যোগ্য প্রার্থী না মিললে এতদিন পদ খালি রাখা হতো। তবে গত ৫ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্রে এ বিষয়টির ব্যাখ্যায় অস্পষ্টতার পর নতুন করে আন্দোলন শুরু হয়। আর রবিবার শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের পরদিন সারা দেশে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। আর সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কোটার বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ দেন। আর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের আলোচনার পর এক মাসের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করে আন্দোলনকারীরা। তবে এরপর আবার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি হয়। একটি পক্ষ কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত না মেনে আলাদা কমিটি গঠন করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে আবার বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রাস্তা অবরোধ করেছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে কোটা কত অংশ থাকবে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতেই কোটা প্রথা থাকতে হবে। আসন্ন বাজেটের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat