ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১২-১০
  • ৫৬৭৮৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আগামীকাল ১১ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এ দিনে কুষ্টিয়া জেলার মুক্তি সেনারা সংগ্রাম করে পাকিস্তানী বাহিনীর হাত থেকে কুষ্টিয়াকে মুক্ত করেছিলেন। ১৬ এপ্রিল থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২ টি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে সেদিন কুষ্টিয়া শত্র“ মুক্ত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সুতিকাগার কুষ্টিয়া মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সেদিন সারাদেশের ন্যায় কুষ্টিয়াও মুক্তিকামী মানুষ রক্ত দিয়েছিল হাসতে হাসতে। অত্যাধুনিক অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হানাদার পাকসেনার বিরুদ্ধে সাহসী বাঙ্গালী তরুণ মুক্তিযোদ্ধারা অমিত তেজে অসীম সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করে কুষ্টিয়ার পবিত্র মাটি  পাকিস্তানী হানাদারদের  হটিয়ে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল। হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষের গগণবিদারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগোনে সেদিন কুষ্টিয়ার আকাশ-বাতাস মুখোরিত হয়ে উঠেছিল। লাঠি-সড়কি, ঢাল- তলোয়ার নিয়ে হরিপুর-বারখাদা, জুগিয়া, আলামপুর, দহকোলা, জিয়ারুখী, কয়া, সুলতানপুর, পোড়াদহ, বাড়াদিসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ ছুটে এসেছিল কুষ্টিয়া শহরে।
দীর্ঘ ১৭ দিন মুক্ত থাকার পর কুষ্টিয়া পুনরায় শত্রুদের হাতে চলে যায়। এর পর পাকিস্তানী সেনারা শহরে প্রবেশ করেই অগ্নিসংযোগ, গণহত্যা এবং ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যায়। সে সময় শহরেও লোকসংখ্যা খুবই কম ছিল। যারা ছিল তাদেও মধ্যে অনেকেই  পাকিস্তানী সেনাদের হাতে নিহত হন। এর পর ১০ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া চৌড়হাস মোড়ে ভারতীয় মিত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সাথে পাক বাহিনীর যুদ্ধ শেষে ১১ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া মুক্ত হয়েছিল। সেদিনের ছাত্রলীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এ্যাডঃ আখতারুজ্জামান মাসুম জানান, সেদিন দেশ স্বাধীন করেছিলাম সকল মানুষের মুক্তির জন্য। আজ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি এবং দেশে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী জঙ্গিবাদ দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ যুদ্ধের পর একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক দেশ দেখার স্বপ্ন ছিল আমাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat