ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১০-০৬
  • ৩২৪৩৬০৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের মধ্যে নির্বিঘ্ন ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বর্তমান পুরাতন সেতুর পাশে কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর উপর ১১ হাজার ৫৬০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে  একটি নতুন রেল-কাম-সড়ক সেতু নির্মান করতে যাচ্ছে সরকার। রেলপথ মন্ত্রনালয়  এ বিষয়ে একটি খসড়া প্রকল্প তৈরি করেছে এবং  ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবান  করার লক্ষ্য  নির্ধারন করা হয়েছে। 
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য চলতি অর্থবছরে (২৫ অর্থবছর ) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) তৃতীয় বৈঠকে খসড়া প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হতে পারে। বর্তমান  সরকারের  দ্বিতীয় একনেক সভায়  সভাপতিত্ব  করবেন অন্তর্বর্তী  সরকারের প্রধান উপদেষ্টা  অধ্যাপক  মুহাম্মদ  ইউনূস। 
মোট ১১ হাজার ৫৬০ কোটি ৭৭ লাখ  টাকার প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৪ হাজার ৪৩৫ কোটি ৬২ লাখ টাকার তহবিল  দেবে  বাংলাদেশ সরকার।  বাকি ৭ হাজার ১২৫ কোটি ১৫ লাখ  টাকার যোগান দেবে  ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট  করপোরেশন(ইডিসিএফ) এবং  কোরিয়ার ইকোনোমিক  ডেভেলপমেন্ট  প্রমোশেন  ফ্যাসিলিটি (ইডিপিএফ)।
পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বাসস’কে  বলেন, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল- চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে নির্বিঘœ ও নিরবচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগ নিশ্চিত করা এবং ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি করা, যা রেলপথে ভারত, মিয়ানমার ও  চীনের সাথে সংযোগের পথ সুগম করবে। 
রেলপথ মন্ত্রনালয়ের  কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে পুরানো এবং জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারে না। এছাড়া মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর চালু হলে এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি এ রুটের গুরুত্বও বাড়বে। ইতিমধ্যেই দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন চালুর মাধ্যমে ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। ফলে পর্যটন নগরীর সঙ্গে নির্বিঘেœ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান পুরনো সেতুর পাশে কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর নতুন রেল-কাম-সড়ক সেতু নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে কোরিয়ান সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
বর্তমানে দেশের আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমের ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে নির্বিঘœ  রেল যোগাযোগ এবং পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নতুন সেতুটি নির্মিত হলে, এই অঞ্চলের বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবস্থিত কল-কারখানার পাশাপাশি শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য পরিবহন করতে সক্ষম হবে।
মূল প্রকল্পের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ৭০০ মিটার রেল-কাম-রোড ব্রিজ নির্মাণ, ৬.২০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট নির্মাণ, ২.৪০ কিলোমিটার সড়ক ভায়াডাক্ট, ৪.৫৪ কিলোমিটার বাঁধ, ১১.৪৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক কাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat