ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৮-২৫
  • ১৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
হাইতির রাজধানীর কাছে একটি গির্জায় আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত মানুষের ওপর সশস্ত্র গ্যাং সদস্যদের হামলায় ৪০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের কয়েকজনকে গণহত্যার মতো করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মেয়র।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মেয়র ম্যাসিলন জ্যাঁ এএফপিকে বলেন, ‘রাজধানীর পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত কেন্সকফ শহরে রোববার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আমরা প্রায় ৪০টি মরদেহ পেয়েছি। তল্লাশি এখনও চলছে। এখনো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।’

তিনি ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসের রাত’ হিসেবে বর্ণনা করেন। কয়েক মাস ধরে শহরটি গ্যাং সহিংসতায় জর্জরিত।

মেয়র জানান, হামলাকারীরা এমন একটি স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করে, যেখানে আগে সহিংসতার কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে আসা মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীরা একটি গির্জায় থাকা বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে হামলা চালায়। তারা কয়েকজনকে হত্যা করেছে। এতে বহু মানুষ নিহত ও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন। অপরাধীরা কয়েকজনকে অপহরণও করেছে।’

হামলার পর জারি করা এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী অ্যালিক্স দিদিয়ের ফিলস-অ্যামিয়ের  কার্যালয় শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ ও সকল ভুক্তভোগীর প্রতি 'গভীর সমবেদনা' প্রকাশ করেছে।

এলাকায় নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানোর কথাও জানিয়েছে সরকার।

গ্যাং সহিংসতায় বিপর্যস্ত হাইতি

হাইতির রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্বে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত কেন্সকফ কয়েক মাস ধরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষ ও হামলার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এসব গ্যাং এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র দেশ হাইতি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্নীতি ও শক্তিশালী গ্যাংগুলোর সহিংসতায় ভুগছে। এসব গ্যাং ব্যাপক হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, লুটপাট ও অপহরণ চালিয়ে আসছে। রাজধানীর বড় একটি অংশ বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যার হাইতিতে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত। এছাড়া ৫০ লাখের বেশি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে রয়েছেন।

২০২৪ সালের শুরুতে গ্যাংগুলো ব্যাপক সহিংসতা শুরু করলে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। এর জেরে দেশটির অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়।

হাইতিতে ২০১৬ সালের পর আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। দেশটির সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোইজ ২০২১ সালের জুলাইয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন এবং এরপর তার স্থলাভিষিক্ত কেউ হননি।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat