ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৮-২৫
  • ৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেছেন, আগামী মাসে ফেনীর মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

আজ দুপুরে জেলার পরশুরাম অংশে বাঁধ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা ব্যায়ে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী মাসের যেকোন সময় এ প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করবেন। 

তিনি বলেন,‘বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন এবং সেচ প্রকল্প কাজ আমরা শুরু করবো। প্রায় প্রতি বছর পাশ্ববর্তী দেশের বাঁধ খুলে দেওয়া অথবা বাঁধ ভাঙার ফলে এ অঞ্চল প্লাবিত হয়।

২০২৪ সালে আমরা এ ধরনের বড় একটা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। তখন অনেক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। অনেক মানুষ অসহায় জীবন-যাপন করেছে। বিশেষ করে ওই সময়টাতে হাহাকার তৈরি হয়েছিল। মানুষ মারাও গিয়েছে। এ পানি নামতে নামতে একদিকে ফেনী নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে ও অন্যদিকে কিছু অংশ নোয়াখালী ও লক্ষীপুরে চলে যায়। যেহেতু দীর্ঘদিন প্লাবিত ছিল, ফলে এলাকার মানুষের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে যে বাঁধগুলো ছিলো, এগুলা খুব জরাজীর্ণ ছিলো। আমরা এখন একটা সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্পটা হলো বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন এবং সেচ প্রকল্প। এটা মুহুরি-কহুয়া নদীর বাঁধ প্রকল্প। আমরা একনেকে এটা পাস করেছি। ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকার প্রকল্প এটি এবং এটি প্রথম পর্যায়ের ও অনেক বড় প্রকল্প। এটা দীর্ঘদিনের এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন ছিল, প্রত্যাশা ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী মাসের যে কোন সময় আসবেন এবং এ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন। এ এলাকার মানুষের সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে আছেন। আমরা সবার আন্তরিকতা ও সহযোগীতায় কাজটা ২০২৬ এ শুরু করে ২০৩০ সালে শেষ করবো।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুন্সি  রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, কুমিল্লা অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, বিএনপি কেন্দ্রীয় সহ গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক বেলাল উদ্দিন আহমেদ , বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব ও মশিউর রহমান বিপ্লব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। 

ভারত সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন,‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ইতিবাচক হওয়া উচিত। আমরা আশা করছি বাঁধ ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে তারা সজাগ থাকবে। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে। কোনভাবে আগ্রাসনের শিকার আমাদের দেশের মানুষ যেন না হয়, সে বিষয়ে আমরা আরো বেশি সজাগ থাকবো।’ 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat